মেয়াদ বৃদ্ধি নয় বরং যোগ্য নেতৃত্ব চায় ডিএমপি

মেয়াদ বৃদ্ধি নয় বরং যোগ্য নেতৃত্ব চায় ডিএমপি

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

আসছে ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হচ্ছে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের মেয়াদ। অন্যদিকে কয়েক মাস পরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই মূহুর্তে তাহলে কে আসবেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার পদে তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। একটি সূত্র বলছে বর্তমান কমিশনার নিজে ও একাধিক শুভাকাঙ্ক্ষী তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের জন্য নানামুখী চেষ্টা তদবির চালাচ্ছেন। অন্যদিকে, লবিংয়ের উপর নয়, বরং এই পরিস্থিতিতে কমিশনার পদের জন্য মেধা, দক্ষতা, ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা, ইতিবাচক ভাবমূর্তি, সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা, সততা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সঠিক আনুগত্যকেই প্রাধান্য দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তিনি ও তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা বহুমুখী লবিং করছেন।

এছাড়া, টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা এবং রাজনীতিকের তথ্যানুসারে, স্থানীয় আওয়ামী লীগ এমপি জোর প্রচেষ্টা চাল্লাচ্ছেন। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে যা যা প্রয়োজন সেগুলোর সবই করার পূর্ব প্রস্তুতি নিয়েই উঠেপড়ে লেগেছেন বর্তমান ডিএমপি কমিশনারের শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

পুলিশের আরও দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনায় ডিএমপির কমিশনারের অদূরদর্শী নেতৃত্ব, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি থাকাকালীন সময়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনা, সবই অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত। এখন দূরদর্শী নেতৃত্ব ডিএমপিতে প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, বিগত বেশ কয়েকজন কমিশনারের বিষয় দেখেন। সে সময় কিন্তু এমন প্রশ্ন উঠেনি। কারণ নানা ধরণের গুজব চলছে। এমন অবস্থায় নিজেদের মধ্যে দৃঢ়তা বজায় রাখতে ক্যারিজমাটিক, ম্যাজিক্যাল এবং ইন্সপায়ারিং লিডিং পারসোনালিটি দরকার।

এই বিষয়ে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক শহীদুল হক বলেন, কে আসলে কমিশনার হবেন, কেমন নেতৃত্ব প্রয়োজন সেটা কর্তৃপক্ষ ভালোই বুঝেন। এখানে নানামুখী প্রশ্নের উদয় হওয়াটা এই মূহুর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত। এটা শক্তভাবে এবং একই সময়ে অত্যন্ত পেশাদারভাবে হ্যান্ডেল করতে হবে।

editor

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *